এই পৃথিবীতে যত মানুষ আছে, প্রায় তত ধরনেরই মানুষ আছে। কেউ ত্যাগী, কেউ ভোগী, কেউ অন্যের উপকার করতে পারাটাকেই নিজের জীবনের পরম সার্থকতা মনে করে আবার কেউ বা অকারণে অন্যের ক্ষতি করে, তাকে বিপদে ফেলে মজা পায়। কেউ অজানাকে জানার নেশায় জীবন যাপন করে আবার কেউ তার ঘর আর চারপাশের ছোট্ট গণ্ডির মধ্যে থাকতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করে। আসলে মানুষ কিভাবে তার জীবনটা কাটাবে, সেটা একান্তভাবেই তার সিদ্ধান্ত, পৃথিবীর নিজের সিদ্ধান্ত নয়। পৃথিবী প্রত্যেককেই সম দৃষ্টিতে দেখে, প্রত্যেকের প্রতিই সমভাবাপন্ন। এই পৃথিবীতে একটি শিশু যখন আসে তার মধ্যে কোন পাপ থাকে না, তার ভবিষ্যৎ জীবন কীভাবে চলবে সেটাও সে ঠিক করে দেয় না। যাদের সান্নিধ্যে সে বড় হয়ে ওঠে, যে শিক্ষা সে পায়, এবং আর যখন নিজের জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ও বিচার বুদ্ধি জন্মায়, তখন ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়। কেউ অপরাধমূলক কাজকর্ম করেই নিজের জীবনকালের সময়টা কাটিয়ে দেয় আবার কেউবা নিজের সাথে সাথে পৃথিবীর মানুষের ভালো কি করে হবে- কিভাবে মানুষকে সুন্দর, সৎ পথের দিশা দেখানো যায়,সারা জীবন সেই চেষ্টায় রত থাকে। এই ভাবেই কোন মানুষ পৃথিবীতে মহাপুরুষের আখ্যা পায়, লক্ষ লক্ষ মানুষের ভক্তি-শ্রদ্ধা পায় আবার কেউ অত্যন্ত ঘৃণিত জীব হিসেবে লোকের মনে জায়গা পায়। কিন্তু এই পৃথিবী সব জীবকে সমদৃষ্টিতে দেখে বলেই, সব মানুষকেই সমানভাবে ভালোবাসে বলে পৃথিবী সবাইকে সুখী ও আনন্দিত দেখতে চায়। সে চায় সব মানুষই পৃথিবীকে ভালোবাসুক, তার সম্পদের উপযুক্ত সংরক্ষন- হোক, ভোগ করুক তার সম্পদ আর অন্য মানুষের জীবনে আনন্দ আসার জন্যেও অবদান থাকুক তার। অর্থাৎ ভোগ ও ত্যাগের সংমিশ্রণে জীবন গড়ে উঠুক সব মানুষের। পরিবার ও সমাজ তার কাছে অঙ্গাঙ্গী হয়ে উঠুক। মানুষ যেন বুঝতে পারে কোন মানুষ যেমন একা কিছুতেই সম্পূর্ণ হতে পারে না, পরিবার তার অস্তিত্ব, তার আয়না, সেই আয়নায় প্রতিফলিত হয় তার সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না। আয়না যেমন প্রত্যেকটা অনুভূতিকে ধরে রাখে তার বুকে ঠিক তেমনিই ছোট, বড় যে কোন অনুভূতি পরিবারকে স্পর্শ করে। তাকে বিচলিত করে, আলোড়িত করে। আর তেমনি ভাবেই এই সমাজ হল বৃহত্তর পরিবার। যখন সেই বৃহত্তর পরিবারের ভালো-মন্দ আমাদের আলোড়িত করবে, যখন আমরা বুঝব, অনুভব করব আমার চারপাশের সবাই ভাল থাকলেই আমার ভালো থাকা সার্থক হয়ে উঠবে, এই সুস্থ রাখার,সুন্দর রাখার ব্রত নিয়ে আমরা সবাই সত্যি সত্যি ভালো থাকবো।
পৃথিবীজুড়ে অজস্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও এত সুনাম অর্জন করেছে যে নানা দেশ থেকে নানা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানুষ পড়তে যায়, শিক্ষা নিতে যায়, জ্ঞান অর্জন করতে যায়। নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুযোগ্য ছাত্র বা ছাত্রী বলে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে দেশে বিদেশে। কিন্তু যে পৃথিবী এই শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানকে ধারণ করে রেখেছে, তার সুনাম প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে দিচ্ছে চারপাশে, সেই অত্যন্ত নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বা ছাত্রছাত্রীরা সারাজীবনেও এই কথাটা একবারও ভেবে দেখে না যে এই পৃথিবীতে আসার সুযোগ না পেলে এরকম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগও পাওয়া যেত না, আর সেখানে শিক্ষা লাভের সুযোগও পাওয়া যেত না। তাই এর যাবতীয় কৃতিত্ব এই পৃথিবীর। তাই আমি ঠিক করেছি একটা প্রতিষ্ঠান তৈরি করব যেখানে পৃথিবীর গুরুত্ব আমাদের জীবনে কি তা শেখানো হবে। শেখানো হবে এই কথা- পৃথিবীই সবার উপরে। শেখানো হবে এই কথাই যে আমাদের সব থেকে বড় বন্ধু, সবথেকে আপন এই পৃথিবী। এই পৃথিবীতে আমরা তার প্রাপ্য সম্মান না দেওয়া বা ভাল না রাখলেও আমাদের প্রতি পৃথিবী তার কর্তব্য পালনে কখনো অবহেলা করে না, তাহলে আমরা যদি তাকে ভালোবাসি, চারপাশের পরিবেশকে সুন্দর রাখার চেষ্টা করি তাহলে এই পৃথিবী খুশি হয়ে আমাদের আরও অনেক বেশি ভালবাসবে। যত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই পৃথিবীতে আছে, তার কোনোটা বেসরকারি মালিকানাধীন, কোনোটা বা সরকারি মালিকানাধীন। কিন্তু এই পৃথিবীর জন্য, পৃথিবীর বুকে, পৃথিবীর ভাবনায় অনুপ্রাণিত, পৃথিবীতে কোন স্কুল নেই। আমার তৈরি করা এই স্কুল হবে পৃথিবীর স্কুল, যেখানে সব বয়সের মানুষ আসতে পারে, কারো যেমন জানার কোন শেষ নেই, তেমন পৃথিবীকে জানারও কোনো বয়স নেই।
এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম আমি ঠিক করেছি আর্থ ডেভলপমেন্ট স্কুল। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে পৃথিবী সংক্রান্ত যাবতীয় জ্ঞান লাভ করবে পৃথিবী বিষয়ক বই, বিভিন্ন ভাষা শিক্ষা, অঙ্কন, নাচ, গান, কবিতা, পৃথিবীকে নিয়ে তৈরি নানা তথ্যচিত্র ও কাহিনী চিত্রের মাধ্যমে। এই স্কুল থেকে বেরোনো ছাত্র তার বাড়ির লোক থেকে শুরু করে, তার আশেপাশের মানুষ সবাইকেই বোঝাবে- পৃথিবী কি আর আমাদের জীবনে শুধু নয় মরণেও, তার ভূমিকা কি! তারা নির্দিষ্ট কোন দেশবাসী হবে না, তারা হবে এই পৃথিবীবাসী আরও বেশি করে বলতে গেলে তারা হবে, এই পৃথিবীর সৈনিক। দ্য সোলজার অফ মাদার আর্থ। প্রতিটি মানুষ জন্মাবে আবার মারা যাবে খুব স্বাভাবিকভাবেই মারা যাবে কিন্তু আনসাং,আনহার্ড, আনল্যামেন্টেড হয়ে মারা যাওয়ার থেকে পৃথিবী কে ভালবেসে এবং সেই শিক্ষা পৃথিবীর মানুষের মধ্যে জারিত করে দিয়ে, পৃথিবীর প্রিয় পুত্র হয়ে, ‘দ্য গ্রেট সোলজার অফ মাদার আর্থ’ আখ্যায় ভূষিত হয়ে মৃত্যুবরণ শ্রেয় নয় কি? মানুষকে ভালবাসলে এই পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা জন্মাবে না, কিন্তু এই পৃথিবীকে ভালোবাসলেই সারা পৃথিবীর মানুষকে ভালবাসতে ইচ্ছা করবে এটা একেবারে নিশ্চিত করে বলতে পারি কারণ পৃথিবীকে ভালোবাসা মানেই তো এই পৃথিবীর সব মানুষই আমার কাছে মানুষ, মনের মানুষ। আর মানুষ ভালোবাসাটুকু তো মনের মানুষকেই উজার করে দেয়।
বিশ্বের প্রতিরক্ষা ব্যয় বরাদ্দ প্রায় ১৯১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিশ্বেরই অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য একটি সংস্থা ২০১৯ সালে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। সংস্থাটির নাম স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস্ রিসার্চ ইনস্টিটিউট। এই রিপোর্টে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক খাতে ব্যয় বরাদ্দের একটা হিসেব ছিল। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একেবারে প্রথমে রয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা। তাদের খরচ সাতশো বত্রিশ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তারপরেই আছে রিপাবলিক অফ চায়না। তার সামরিক খাতে খরচ দুশো একষট্টি বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে খরচ একাত্তর বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সামরিক খাতে বিশ্বব্যাপি কত টাকাই না খরচ হয়। আমার প্রিয় পাঠক সেটা হিসাব করে দেখুন, আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই, রাসায়নিক অস্ত্র, ভাইরাস ঘটিত অস্ত্র- এরকম কত মারাত্মক অস্ত্রের ব্যবহারের জন্য এই বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। সেই রাসায়নিক অস্ত্রে বা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় সারা বিশ্বজুড়ে অজস্র মানুষ, কিন্তু যদি ভালোবাসার ভাইরাস সারা বিশ্বজুড়ে আমরা প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে ছড়াতে থাকি, তাহলে কি হবে? তাহলে যা হবে তা হলো প্রথমত ঐ অর্থ খরচ করতে হবে না, কারণ ভালোবাসার ভাইরাস সারা পৃথিবীর মানুষের মধ্যে প্রবল ভাবে একবার ছড়িয়ে পড়লে যুদ্ধের দরকারই পড়বে না আর ভালোবাসার ভাইরাস নিজেই প্রত্যেক মানুষের শরীরে, মনে এমন এক ইমিউনিটি তৈরি করবে, যা মানুষকে এই সুন্দর পৃথিবীতে সুস্থ, সুন্দর আর ভালোবাসাময় জীবনের লাভ- অ্যাডিকশন- এ অভ্যস্ত করে তুলবে।
স্বপ্ন সম্পর্কে পৃথিবীতে অজস্র তত্ত্ব আছে, তথ্য আছে, সংস্কার আছে, কুসংস্কার আছে, ভীতি আছে-কিন্তু স্বপ্ন মানুষ কেন দেখে, কেনই বা মানুষ স্বপ্ন দেখে হাসে, কাঁদে, কেনই বা ভয় পায় বা খুশি হয়, এইসব প্রশ্নের উত্তর আজও সারাবিশ্বে অনেক মনস্তত্ত্ববিদ খুঁজে চলেছে এবং তাই নিয়ে রীতিমত গবেষণাও চলছে। তবুও আজও অনেক প্রশ্নেরই উত্তর অজানা রয়ে গিয়েছে। এই স্বপ্নের প্রসঙ্গ এই কারণেই তুললাম, স্বপ্ন যেহেতু মানুষের একটা বিশাল মানসিক অবস্থা তাই প্রত্যেকটি মানুষ আলাদা আলাদাভাবে স্বপ্ন দেখে। এবং নিদ্রিত অবস্থাতেই মানুষ স্বপ্ন দেখে।
আমরা অনেক সময় ঘুমোতে যাওয়ার আগে পরস্পরকে উইশ করে বলি- হ্যাভ এ সাউন্ড স্লিপ এন্ড সুইট ড্রিম; এটা অনেকটা সোনার পাথরবাটির মতো ব্যাপার। কারণ ঘুম যখন গভীর থাকে, তখন মানুষ কোন স্বপ্ন দেখেনা! মানুষ স্বপ্ন দেখে তখনই যখন ঘুম ক্রমশ পাতলা হয়ে আসে এবং মজার ব্যাপার হলো স্বপ্ন দেখতে দেখতেই অধিকাংশ সময়ে ঘুম ভেঙে যায়। অন্ততঃ আমার তো তাই হয়! হ্যাঁ, যে কথাটা এর আগে বলতে চাইছিলাম, সেটাই এবার বলবো। স্বপ্ন একজনই দেখতে পারে, এক স্বপ্ন কিছুতেই একসঙ্গে দুজনে দেখতে পারেনা। সেটা একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু আমি যে স্বপ্নের কথা বলছি, সেই স্বপ্ন কিন্তু পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ একসঙ্গেই দেখে, প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে। আজ্ঞে হ্যাঁ, একদম ঠিকঠাক পড়ছেন। আজকের এই পৃথিবীতে দাঁড়িয়ে, চারপাশে একটা চরম হানাহানি, অবিশ্বাস, ঘৃণা আর শ্রেষ্ঠত্ব জাহিরের হুংকার যখন আমাদের চারপাশকে অস্থির করে তুলেছে, চরম কষ্ট বুকের মধ্যে চেপে রেখে যন্ত্রণামাখা কয়েকটা লাইন বেরিয়ে আসে আমার কলম থেকে-
এ এক অদ্ভুত ক্ষণ
দাঁত আর নখ নিয়ে খেলা
বিশ্বাস ছেড়ে গেছে হাত
বুকের খাঁচায় ভারি তালা
ঠিক সেই মুহূর্তেই দাঁড়িয়ে আমার মত আরো অসংখ্য পৃথিবীবাসী স্বপ্ন দেখে এমন একটা পৃথিবীর, যেখানে প্রতিদিন হিংসা আর ধ্বংসের বাতাবরণের উপর দাঁড়িয়ে, মৃত্যু জীবনের কানে কানে গুন গুন করে যায়, তা বন্ধ হবে চিরদিনের জন্য, যুদ্ধের ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়ায় এবং পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ায় লক্ষ লক্ষ মানুষ স্বজনহীন, গৃহহীন হবে না। চোখের জলে ভারী হয়ে উঠবে না আমাদের চারপাশের পরিবেশ । ভালোবাসার ভীতের উপর দাঁড়িয়ে তৈরি হবে এক আশ্চর্য পৃথিবী- মন্দির আর সেই মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী হবেন সর্ব গোষ্ঠীর, সর্ব বর্ণের, সর্ব ধর্মের মানুষের প্রণম্যা স্ট্যাচু অফ মাদার আর্থ বা পৃথিবী মায়ের মূর্তি। একদিন, এই স্ট্যাচুই পৃথিবীতে প্রথম ও শেষ আশ্চর্য নামে খ্যাতি লাভ করবে ও পৃথিবীকে ভালোবাসা - রক্ষা করার প্রাণকেন্দ্র রূপে পরিগনিত হবে। ভালোবাসার ডালিতে, ভালোবাসার উপকরণ নিয়ে, ভালবাসায় মোড়া পথ পেরিয়ে সেই ভালবাসার মন্দিরে পৌঁছে যাব আমরা আর যখনই পৃথিবী মায়ের মূর্তি দেখবো, তা আমাদের মনে এক অপার শান্তি আর ভালোবাসা এনে দেবে, স্থায়ী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে অতি সুগম করে দেবে- এই স্বপ্ন দেখি আমি, আমার মতো বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষ আর সেই স্বপ্নকে সফল করে তুলবো সবাই মিলে।
স্থায়ী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কোন অলীক কল্পনা নয়, কোন অলস ভাবানুতা নয়। ঘুমের ঘোরে এ স্বপ্ন দেখা যায় না, আর এই স্বপ্নকে সফলও করে তোলা যায় না। অতি সজাগ অবস্থাতেই এই স্বপ্ন দেখি আমি। আমার মত আরও অনেক মানুষই স্বপ্ন দেখে এসেছে, এই পৃথিবী জুড়ে এমন এক শান্তির বাতাবরণ তৈরি হবে, যেখানে হানাহানি, ঈর্ষা বা ঘৃণার কোন স্থান থাকবে না। এই স্বপ্ন দেখতে দেখতে কত মানুষ এই পৃথিবী থেকে চলে গিয়েছে না পাওয়ার ক্ষোভ, বেদনা বুকে নিয়ে আর অসংখ্য মানুষ বেঁচে রয়েছে এই আশায় যে শান্তি আসবে পৃথিবী জুড়ে। আমি দেখতে পাই সেই দিন আসতে খুব বেশি দেরি নেই, যেদিন চিরস্থায়ী শান্তি নেমে আসবে পৃথিবীর জোড়া ভালোবাসার ডানায় ভর করে আর অসংখ্য মানুষ যে স্বপ্ন দেখছে, সেই স্বপ্নকে সাকার করে তুলবে এই স্থায়ী বিশ্বশান্তি সূত্র।